Fighting HIV/AIDS

In honor of World AIDS Day (December 1st), this week's URB.im conversation focuses on the diverse and innovative ways cities around the world are combating HIV/AIDS in response to their unique local contexts. Globally, the spread of HIV is reversing course: UNAIDS reports that new infections have fallen by 33 percent since 2001. Government agencies and NGOs are tackling HIV/AIDS from all different angles, including interventions targeted at orphaned youth with HIV, outreach to eliminate barriers to testing, as well as initiatives to improve treatment for current patients.

Read on to learn about some of the strategies being implemented in Chittagong, Bogotá, Bangalore, Lagos, and Mexico City, to raise HIV/AIDS awareness and reduce its prevalence, then join the conversation in the comments below.

Chittagong
Bogotá
Bangalore
Lagos
Mexico City
The Asian University for Women Writing Team, Dhaka Community Manager

 
শহুরে দরিদ্র মহিলাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিঃ ব্রাক, টার্গেটিং আলট্রা পুওর (টি.ইউ.পি)

লেখিকাঃ রুভানি নাগোদা নিসান্সালা, অনুবাদকঃ নুসরাত ইয়াসমিন

 

এইচআইভি/এইডসের সার্বিক প্রকোপ বাংলাদেশে এখনো নিম্ন, ১% এরও কম জনসংখ্যা এই রোগে আক্রান্ত হয়। তবে, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের উচ্চ প্রকোপ, যেমন,যৌনকর্মী এবং তাদের ক্লায়েন্টের মধ্যে অরক্ষিত যৌন-সঙ্গম এবং মাদক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সুচ ভাগাভাগির সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রতিবেশী দেশে (যেমন থাইল্যান্ড হিসাবে) এই ধরনের রোগের সূচকীয় বিস্তার, বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে এইচআইভি মহামারীর উচ্চ ঝুঁকিতে রাখে।এই ঝুঁকি উপাদান ছাড়াও, বাংলাদেশের উচ্চ জনসংখ্যার ঘনত্ব, অত্যন্ত নিম্নমানের জীবনযাপন, কম উৎপাদনশীলতা, বেকারত্ব, এবং লিঙ্গ বৈষম্যের উপস্থিতি ও এইচআইভি সংক্রমণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশে এইচআইভি/এইডস ১৯৮৯ সালে প্রথম সনাক্ত করা হয়। জাতীয় এইডস এবং এসটিআই প্রোগ্রাম (এনএএসপি) অনুমান মতে, ২০১০ সাল পর্যন্ত ৭৫০০ বাংলাদেশী এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে বসবাস করছে। এই বৃদ্ধিজনক ঘটনার বিপরীতে, মুষ্টিমেয় এনজিও এইচআইভির বিস্তার থামাতে এবং ইতিমধ্যেই সংক্রমিত যারা তাদের সেবা প্রদানের জন্য এইচআইভি/এইডস শিকার এবং তাদের সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা শুরু করেছে।

১৯৮৯ সাল থেকে বাংলাদেশ ইন্টিগ্রেটেড সোশ্যাল এডভান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (বিআইএসএপি), একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, চট্টগ্রামে এইচআইভি/এইডস সচেতনতা সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখছে। চট্টগ্রাম দেশের সবচেয়ে জনবহুল শহরগুলোর মধ্যে একটি, যার মোট জনসংখ্যা ৪.৮ মিলিয়ন। বিআইএসএপি প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামে এইচআইভি/এইডস প্রাদুর্ভাব কমাতে সচেতনতা প্রোগ্রাম যেমন, এইচআইভি প্রতিরোধের কৌশলের উপর ফোকাস করে। এখন পর্যন্ত তারা বিশেষ করে ঝুঁকিপ্রবণ নারী ও শিশুদের লক্ষ্য করে তৃণমূল পর্যায়ের সামাজিক সংহতি প্রকল্পে কাজ করেছে। বিআইএসএপি বিশ্বাস করে সমাজের ঝুঁকিপ্রবণ গোষ্ঠীকে আর্থিকভাবে সচ্ছল করার মাধ্যমে দারিদ্র্যের বোঝা এবং এই ধরনের সংক্রমিত রোগের বিস্তার হ্রাস করা সম্ভব।

২০০৮ সালে, আয়ারল্যান্ড দূতাবাসের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, বিআইএসএপি চট্টগ্রাম শহরে এইচআইভি / এইডস ও অন্যান্য যৌনরোগ প্রতিরোধ একটি প্রধান প্রচারণা চালু করে। সমাজের সদস্য ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে কিভাবে এইচআইভি ছড়ায় এবং কারা রোগ ছড়ানোর উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে আছে ষে সম্পর্কে সচেতন করাই এই তিন বছরের প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, বিআইএসএপি শিক্ষক, ছাত্র, স্বাস্থ্য পরিসেবা প্রদানকারী, স্থানীয় নেতা, এবং পরিবহন ইউনিয়ন নেতাদের জন্য শিক্ষণীয় ও সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৯ সালে, বিআইএসএপি চট্টগ্রামে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ ডাক্তারদের জন্য এইচআইভি / এইডস প্রশিক্ষণ কর্মসূচী আয়োজন করে। এই প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসকদের শিক্ষিত করে তোলা যেন তারা সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক সংহতি উন্নয়নের মাধ্যমে এসটিআই ঝুঁকিপূর্ণ তরুণ, যারা তথ্য ও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত তারা যাতে বাধা অতিক্রম পারে, তা নিশ্চিত করা। বর্তমানে, বিআইএসএপি বিশেষভাবে স্থানীয় রিকশা ও সিএনজি (স্বয়ংক্রিয় রিকশা) ড্রাইভার, ছোট ব্যবসায়ী, এবং গার্মেন্টস কারখানা শ্রমিকদের জন্য শিক্ষাগত উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। এটা যাদের সঙ্গে যারা উভয় ছুঁয়েছে বিআইএসএপি এর এই উদ্যোগ শক্তিশালী কারণ এটি চট্টগ্রামের ঝুঁকি এবং অভিক্ষিপ্তাবস্থা এবং কর্তৃপক্ষের নিকট পৌঁছাতে পেরেছে।

যদিও এইচআইভি / এইডস-এর বোঝা সম্প্রতি বাংলাদেশে বৃদ্ধি পেয়েছে, এর বিস্তারের ঝুঁকি উপাদান উপস্থিতি সত্ত্বেও রোগ এবং মৃত্যুহার ক্ষুদ্র রয়ে যাওয়া প্রমাণ করে যে, এই ধরনের সম্প্রদায় সংহতি উদ্যোগ রোগ সংক্রমণ রোধ করতে সাহায্য করতে পারে। বিআইএসএপি এর এইচআইভি / এইডসে এখনো আক্রান্ত হই নি ব্যক্তিদের মধ্যে সচেতনতা উত্থাপনের এই তৃণমূল কৌশল বিশ্বের অন্যান্য উৎস-দরিদ্র শহরগুলোতেও কার্যকরী হতে পারে।

Photo credit: BISAP

 

Comments

María Fernanda Carvallo's picture

Jorge, al igual que en México, Colombia presente un gran reto en la detección oportuna de personas que que son VIH positivos. Me parece que una de las causantes es que hay acceso limitado y oportuno a la información sobre métodos de prevención o detección de esta enfermedad; pues la población que no presenta algún síntoma desconoce que es portador del virus y tiene mucho más riesgo de propagarlo. Si bien los sistemas de salud promueven campañas para la detección, un actor fundamental en esta labor son las organizaciones que pudieran tener más movilidad para alcanzar zonas aisladas de los servicios o a la población que no tiene acceso a los sistemas de salud, como ha sido el convenio con la Liga Colombiana de Lucha contra el Sida. La sinergia entre las organizaciones y el sector público es la suma de los recursos públicos y la innovación de la sociedad civil dando como resultado soluciones más eficientes.

Jorge Bela's picture

Ruvani, I was wondering if the BISAP initiatives you describe are having some continuity. One of the problems detected in Europe and the USA is that younger generations tend to ignore basic precautions and engage in high risk behavior. This might be due, in part, to the fact that the massive awareness campaigns undertaken a few years ago, were victims of their own success and their intensity has substantially decreased with time. Experts fear that the infections rate might skyrocket again in the not so distant future.
Olatawura’s take on Lagos is completely in tune with the situation in Bogotá: it takes significant effort to get people tested, due to lack of information on the part of citizens and health practitioners alike. Of course prejudice and fear of stigma still play a considerable barrier. However, the availability of treatment and the need to prevent transmission make testing a priority. The approach described by Fernanda, mobile units that combine information with testing, allows for reaching to populations that donot have easy access to health car. But, as the Bogotá case illustrates, some times even in the health systems we can find unexpected barriers to widespread testing.

Olatawura Ladipo-Ajayi's picture

I completely agree with Jorge. Testing is the first step to preventing the spread of HIV, should one know they are infected it makes it possible for them to get treatment and take precautions to avoid transmitting it to others. While testing is priority information about prevention is also important to prevent spread.

Its obvious getting the word out on importance of getting tested, treatment options and care is a challenge for most cities and various organisations have found innovative ways of accomplishing this task. I find the mobile test and information center program in mexico city very appealing as it take the information and testing to he masses, in areas which might otherwise miss such information. A lot of effort needs to be re-invested in anti-stigma campaigns and circulating information.

I wonder if the invention if a home test kit could help with the frequency of testing. A program that provides this coupled with advocacy against stigmatization and next steps after results might be an innovative solution and one way to encourage people to get tested and subsequently treated.

Katy Fentress's picture

Hi Wura, here in Kenya it has become very common to see billboards exhorting people to go and get tested. A recent one shows a husband in bed with his wife looking over him and the caption runs something like "you don't know where he's been, maybe you should get tested"
Testing in Kenya is free although like in Nigeria, the government does not pay for the drugs once people have been tested positively. There are however insurance companies that have begun to target HIV positive people, although I am not sure exactly how that works.
I was wondering how religious leaders tackle the issue? Is this something that is spoken about and what kind of line do the devout take on the use of contraception?

Katy Fentress
URB.IM - Nairobi Community Manager
@whatktdoes

Carlin Carr's picture

Wura, I agree that reducing the stigma against HIV/AIDS is one of the most important barriers to overcome in getting people tested. People don't want to admit they are at risk or conducting in at risk behaviors. For example, in Indian cities, many of the migrant many who are in the cities on their own working go to prostitutes and would never admit this to their families at home. What has happened as a result is that large pockets of HIV positive patients have popped up in certain rural areas, where the men return to and pass it on, unknowingly, to their wives. Promoting safe sex and condom use among sex workers is another important aspect in the prevention of HIV.

I was very interested to read all articles this week and some reflections came to mind.

First, there seems to be few reliable and available sources of HIV data at the city level. Most countries manage data at the national level. International reports and case studies are mostly focused on countries and little is known specifically on the city level situation and how cities manage their HIV prevention, treatment and support interventions. This is really important as it not only affects planning effective responses, but also affects monitoring and reporting of such efforts.

Second, I agree with most of you who have highlighted the importance about testing. It is definitely a very important step in fighting HIV. But efforts should not stop there, as testing isn’t enough. There needs to be SIGNIFICANT improvements in providing infected people with adequate and affordable antiretroviral treatment. Lets take the case of Lagos for illustrative purposes. The city has an estimate of 600 thousand people who are already HIV positive and only very few receive proper treatment. With all recent advances in antiretroviral medicine many of these people could be living a fairly normal and active life. Also, with proper treatment, pregnant women will be able to prevent mother-to child transmission of HIV. So availability of treatment is in many ways part of the prevention strategy…

Last but not least, I was wondering about the picture showed in our platform’s page showing people with vests that read “HIV POSITIVE”. I think it is from Lagos. What is it about? Are photographed people really HIV+? I am curious to understand the context of this picture as it is not common to see people being so open accepting their HIV status. Would be interesting to learn how this campaign or project was implemented and how local people perceived it.

Add new comment

Filtered HTML

  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <blockquote> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd>
  • Lines and paragraphs break automatically.

Plain text

  • No HTML tags allowed.
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.
By submitting this form, you accept the Mollom privacy policy.